ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
অবৈধ ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমায় পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাদারীপুরের টেকেরহাটে বিশ্বমানের সেবা নিয়ে প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া কুরআনী নুর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবের তাইফে ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাণ গেল একজনের, আহত দুইজন! রাজৈরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জ শহরে বিএনপির মিছিল, নেতৃত্বে টিপু নারায়ণগঞ্জের আলীরটেক-ডিক্রিরচর ঘাটে শীতলক্ষ্যায় সেতু নির্মাণের দাবিতে ডিও লেটার দিলেন সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা শাহবাগের ফুটপাতের সেই গোল্লাপি বেগমকে নতুন বাড়ি উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধন সাহা জয় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে লিটন মহাজন লিটু দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় সৃষ্টি কর্তার কাছে প্রার্থনা

অবৈধ ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

জামালপুর পৌরসভার দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন যৌন পল্লীর ঠিক সামনের এলাকায় কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত করতে গিয়ে এক নাগরিক সাংবাদিককে বাধা, হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নাগরিক সাংবাদিক এস এম সায়েম হোসেন ওই এলাকায় কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে লোহানি মেডিকেলের স্বত্বাধিকারী রাসেল লোহানি তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক কেড়ে নেন। পরে তাকে আঘাত করে দোকানে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে কথিত অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে ডেকে এনে তাকে হুমকি ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাসেল লোহানির দোকানে কথিত যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়ে আসছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা অত্যাবশকীয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় দোকান ও আশপাশের এলাকায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনার দৃশ্য ধারণ হয়ে থাকতে পারে। তবে ওই ফুটেজ প্রকাশ না করে লোহানির নেতৃত্বে তা পরিবর্তন বা টেম্পারিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে ঘটনার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

 

 

অভিযোগের রাজনৈতিক দিক নিয়েও স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা রয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, ৫ আগস্টের পর রাসেল লোহানি বিএনপিতে যোগ দেন এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের আড়ালে এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন। তবে এই দাবিরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা অত্যাবশকীয় এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—যদি কোনো দোকানে অনুমোদনহীন বা অবৈধ যৌন উত্তেজক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে একজন নাগরিক সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল কেড়ে নেওয়া কিংবা হুমকির অভিযোগ থাকলে সেটিও তদন্তের দাবি রাখে।

এ ঘটনায় কথিত অবৈধ ওষুধ বিক্রির বিষয়টি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

অবৈধ ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জামালপুর পৌরসভার দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন যৌন পল্লীর ঠিক সামনের এলাকায় কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত করতে গিয়ে এক নাগরিক সাংবাদিককে বাধা, হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নাগরিক সাংবাদিক এস এম সায়েম হোসেন ওই এলাকায় কথিত অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে লোহানি মেডিকেলের স্বত্বাধিকারী রাসেল লোহানি তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক কেড়ে নেন। পরে তাকে আঘাত করে দোকানে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে কথিত অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে ডেকে এনে তাকে হুমকি ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাসেল লোহানির দোকানে কথিত যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়ে আসছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা অত্যাবশকীয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় দোকান ও আশপাশের এলাকায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনার দৃশ্য ধারণ হয়ে থাকতে পারে। তবে ওই ফুটেজ প্রকাশ না করে লোহানির নেতৃত্বে তা পরিবর্তন বা টেম্পারিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে ঘটনার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

 

 

অভিযোগের রাজনৈতিক দিক নিয়েও স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা রয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, ৫ আগস্টের পর রাসেল লোহানি বিএনপিতে যোগ দেন এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের আড়ালে এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন। তবে এই দাবিরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা অত্যাবশকীয় এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—যদি কোনো দোকানে অনুমোদনহীন বা অবৈধ যৌন উত্তেজক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে একজন নাগরিক সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল কেড়ে নেওয়া কিংবা হুমকির অভিযোগ থাকলে সেটিও তদন্তের দাবি রাখে।

এ ঘটনায় কথিত অবৈধ ওষুধ বিক্রির বিষয়টি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।