জান্নাতুল ফেরদৌস, গত ২৩শে আগষ্ট নারায়নগঞ্জের এলাইড হসপিটালে ভর্তি হন সামান্য টিউমার অপারেশন এর জন্য। ২৪ তারিখ সকাল ৭ টায় অপারেশন এর কথা থাকলেও সকাল ৬ টায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা পর তাকে মুমূর্ষু মৃত প্রায় , লাইফ সাপোর্ট এ নিতে হবে এই বলে রোগী কে তার অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করেন এবং বলেন আজগর আলী হসপিটালে ICU লাইফ সাপোর্ট এ নিতে বলেন । এমতাবস্থায় হাবিব সাহেব রোগীকে নিয়ে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে আজগর আলী হসপিটালের ICU লাইফ সাপোর্ট এ ভর্তি করান। ৬ দিন পরও রোগীর কোন প্রকার পরিবর্তন না দেখে আজগর আলী হসপিটাল থেকে ৩০ তারিখ রোগীকে নিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ( পিজি) হসপিতালের ICU লাইফ সাপোর্ট এ ভর্তি করান। পিজি হসপিটালে কিছুটা উন্নতি হলেও ৫ তারিখ রাতে অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং ৬ ই সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় মৃত্যু বরন করেন। ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাই রাজিউন।
এলাইড হসপিটালে ২৪ শে আগস্ট সকালে অপারেশন থিয়েটার থেকে মৃত প্রায় বের হয়ে দীর্ঘ ১৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুবরণ করেন।
এমন অনিরাপদ হসপিটালের ভুল চিকিৎসার কারনে এর আগেও এই হসপিটাল থেকে শিশু নারীর ীর মৃত্যু অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
এমন হত্যাকান্ডের জন্য আমরা ডাঃ জাকিয়া পারভীন ও তার টিমের বিচার চাই।
আর এমন অনিরাপদ মানুষ হত্যার আস্তানা এলাইড হসপিটাল বন্ধ চাই।
এর আগেও আওয়ামী লীগের সময়, কালিবাজার একটি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় নারীকে মেরে ফেলে ডাক্তার জাকিয়া পারভীন, তৎকালীন আওয়ামী লীগের ক্ষমতা বলে, টাকার বিনিময়ে টাকা দিয়ে বেঁচে যান ডাক্তার জাকিয়া পারভীন, তার হাজবেন্ড ও একজন ডাক্তার, প্রচুর পরিমাণ টাকা কামিয়ে দেশ বিদেশে ব্যবসা খুলে বসে আছেন জাকিয়া পারভিন ও তার হাজবেন্ড।
নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন মহোদয় কে অনুরোধ করবো, এ সকল হসপিটাল কে অবিলম্বে আইনি ভাবে বন্ধ করে দেয়া হোক, এবং বিভিন্ন হত্যাকারী বিচার করা হোক ডাক্তার ও ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে।
বড় বড় অপরাধ করে টাকার বিনিময়ে তারা বেঁচে যান ঠিকই, বাচ্চা হারায় তার মা, স্বামী হারায় তার স্ত্রী, ছেলে হারায় তার মা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নারায়ণগঞ্জবাসী।
সারাক্ষণ ডেস্ক 

















