ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী অধিকার: নীতিমালার ব্যাখ্যা, বৈষম্যের প্রশ্ন ও সমাধানের পথ। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : ১জনের ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা, ৪জন খালাস সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাবেন সেই গৃহবধূ। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সরকারি বই ও খাতা বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে। ধামরাইয়ে অবৈধ টায়ার পোড়ানোর কারখানা: বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। কচুয়ায় গাছ কাটতে গিয়ে ১২ বছরের শিশুর মৃত্যু, বিচার দাবি পরিবারের। নেত্রকোণায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৭তম ‎মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।  ঘাঘটের ভাঙনে ঝুঁকিতে শহররক্ষা বাঁধ: পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ। শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি নয়, জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা হোক। হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আজ থেকে ভেঙে গেল। ইরানি বিমানকে আটকাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানা বিমানবন্দরে বিমান হামলা। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি।

বালিয়াডাঙ্গীতে গোপন গোডাউনে অভিযান, প্রায় ৯ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একটি গোপন গোডাউনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকার অবৈধভাবে মজুদকৃত সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ৭১৫ বস্তা সার জব্দ করা হয় যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৮ লাখ ৬০ হাজার ২৫০ টাকা।

অভিযানটি পরিচালিত হয় উপজেলার লাহেরী ইউনিয়নের ঠুমনিয়া পাগলা বাজার এলাকার করিম উদ্দিন আপন (৩২) এর মালিকানাধীন একটি গোপন গোডাউনে। জানা গেছে, করিম উদ্দিন আপন স্থানীয় লাহিড়ী বাজারের সারের ব্যবসায়ী শাজাহানের ভাই। এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, শাজাহানের চারটি সারের লাইসেন্স থাকলেও এই সারের মজুদ ছিল লাইসেন্সবিহীন গোডাউনে এবং তা ছিল গোপন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মফিজুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেল, পুলিশ সদস্যসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

জব্দকৃত সারগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪১৫ বস্তা ইউরিয়া (মূল্য ৫,৬০,২৫০ টাকা) ও ৩০০ বস্তা এমওপি সার (মূল্য ৩,০০,০০০ টাকা)। সব মিলিয়ে জব্দকৃত সার ছিল ৩৫.৭৫ মেট্রিক টন ওজনের।

অভিযান শেষে গোডাউনটি সিলগালা করা হয় এবং করিম উদ্দিন আপনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং সারের নিয়ন্ত্রিত বিতরণ বিধিমালা অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ইউএনও মফিজুর রহমান বলেন, “কৃষি খাতে যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। কেউ অবৈধভাবে সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি সারাক্ষণ বার্তাকে জানান, জব্দকৃত সার স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী অধিকার: নীতিমালার ব্যাখ্যা, বৈষম্যের প্রশ্ন ও সমাধানের পথ।

বালিয়াডাঙ্গীতে গোপন গোডাউনে অভিযান, প্রায় ৯ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ।

আপডেট সময় : ১০:১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একটি গোপন গোডাউনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকার অবৈধভাবে মজুদকৃত সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ৭১৫ বস্তা সার জব্দ করা হয় যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৮ লাখ ৬০ হাজার ২৫০ টাকা।

অভিযানটি পরিচালিত হয় উপজেলার লাহেরী ইউনিয়নের ঠুমনিয়া পাগলা বাজার এলাকার করিম উদ্দিন আপন (৩২) এর মালিকানাধীন একটি গোপন গোডাউনে। জানা গেছে, করিম উদ্দিন আপন স্থানীয় লাহিড়ী বাজারের সারের ব্যবসায়ী শাজাহানের ভাই। এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, শাজাহানের চারটি সারের লাইসেন্স থাকলেও এই সারের মজুদ ছিল লাইসেন্সবিহীন গোডাউনে এবং তা ছিল গোপন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মফিজুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেল, পুলিশ সদস্যসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

জব্দকৃত সারগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪১৫ বস্তা ইউরিয়া (মূল্য ৫,৬০,২৫০ টাকা) ও ৩০০ বস্তা এমওপি সার (মূল্য ৩,০০,০০০ টাকা)। সব মিলিয়ে জব্দকৃত সার ছিল ৩৫.৭৫ মেট্রিক টন ওজনের।

অভিযান শেষে গোডাউনটি সিলগালা করা হয় এবং করিম উদ্দিন আপনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং সারের নিয়ন্ত্রিত বিতরণ বিধিমালা অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ইউএনও মফিজুর রহমান বলেন, “কৃষি খাতে যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। কেউ অবৈধভাবে সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি সারাক্ষণ বার্তাকে জানান, জব্দকৃত সার স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।