ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রকৌশলীকে বদলী করার ক্ষমতা নাকি মন্ত্রী ও সচিবের নেই: মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক প্রকৌশলীর ৬ বছরের দুর্নীতির রাজত্ব! শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুই অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১। ধামরাই গ্যাসের বিস্ফোরণে দম্পতি দগ্ধ, স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর। চট্টগ্রামের সাবেক এমপি মুজিবের বাসায় গুলি: লুট হওয়া অস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার। মালিক বিহীন ২২ বোতল ভারতীয় মদ আটক। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আগামীর বাংলাদেশে আমলাতন্ত্রের আশু সংস্কার প্রয়োজন। যাত্রাবাড়ীতে চার লক্ষ টাকার ১২৯৫ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন। প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে মাদারীপুর। আলমগীর হত্যার পর ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ব্যাপক তাণ্ডব। বাদিয়াখালীতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক অর্ধ বয়সী নারীর মৃত্যু।

মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–রংপুর ফোর লেন।!

 

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে।

সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক।

সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্তকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকৌশলীকে বদলী করার ক্ষমতা নাকি মন্ত্রী ও সচিবের নেই: মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক প্রকৌশলীর ৬ বছরের দুর্নীতির রাজত্ব!

মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–রংপুর ফোর লেন।!

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে।

সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক।

সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্তকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।