ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল! নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাষা কর্মশালা ও মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন। নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন। প্রায় ২০ কোটি টাকার স্থাপনার হদিস নেই, রামেবি ক্যাম্পাসে লুটপাটের অভিযোগ। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট’র উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবির ও মেডিক্যাল ক্যাম্প সম্পন্ন। আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার একটি স্বপ্নের নাম মর্ম মাধুর্য বসু (তাথৈ) শুভ জন্মদিন, আমাদের প্রাণের আলো। হাওর ভ্রমণ মুহূর্তেই রূপ নিল আজীবনের শোকে। যে বাবা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাঁচিয়ে গেলেন মেয়েকে! কালিগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকর্মীর হামলায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আহত একজন শিক্ষকের হাতজোড়, একদল শিক্ষার্থীর কান্না—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক নির্মম প্রশ্ন।

ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের।

ঢাকা, ২৪ জুন: ভারতে মসজিদ ভাঙচুর, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি ভারতের প্রতি এসব কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের একটি দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বৈষম্য, মসজিদ ভাঙচুর এবং ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঘটনাগুলো সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর নেতিবাচক প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও পড়তে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হলে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ভারত বহু শতাব্দী ধরে ধর্মীয় সহাবস্থান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বহুত্ববাদের ঐতিহ্য ধারণ করে এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সকল ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় ও ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া ভারতের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, যখন কোনো জনগোষ্ঠী নিজেদের বঞ্চিত, নির্যাতিত বা নিরাপত্তাহীন মনে করে, তখন উগ্রবাদ ও সহিংসতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ফলে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এমন পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর সুযোগ পেতে পারে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি ভারত সরকারকে সংবিধান, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের।

আপডেট সময় : ১০:৪৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ঢাকা, ২৪ জুন: ভারতে মসজিদ ভাঙচুর, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি ভারতের প্রতি এসব কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের একটি দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বৈষম্য, মসজিদ ভাঙচুর এবং ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঘটনাগুলো সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর নেতিবাচক প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও পড়তে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হলে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ভারত বহু শতাব্দী ধরে ধর্মীয় সহাবস্থান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বহুত্ববাদের ঐতিহ্য ধারণ করে এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সকল ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় ও ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া ভারতের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, যখন কোনো জনগোষ্ঠী নিজেদের বঞ্চিত, নির্যাতিত বা নিরাপত্তাহীন মনে করে, তখন উগ্রবাদ ও সহিংসতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ফলে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এমন পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর সুযোগ পেতে পারে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি ভারত সরকারকে সংবিধান, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।