গণপূর্ত অধিদপ্তরে ই/এম প্রকৌশলী পদে পদায়নের লটারি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন
বিশেষ প্রতিনিধি: রাবেয়া খাতুন মুক্তা
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর সরকারি দপ্তরগুলোতে পদ-পদবি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম (ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীদের পদায়নের জন্য আয়োজিত লটারি প্রক্রিয়া নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ, লটারির নামে পদায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গণপূর্ত মন্ত্রীকে অন্ধকারে রেখে অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে এবং আর্থিক লেনদেনের সম্ভাব্য প্রভাবের মাধ্যমে মাত্র ৩০ জন ই/এম কর্মকর্তাকে প্রায় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে লটারি পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, লটারি যদি সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়ে থাকে, তাহলে ক্যাটাগরি ও জারভিত্তিক নাম বণ্টনের ক্ষেত্রে কী নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে? সব কর্মকর্তার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা জরুরি।

লটারি আয়োজনের উদ্দেশ্য যদি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়ে থাকে, তাহলে প্রক্রিয়াটির প্রতিটি ধাপের স্বচ্ছতা প্রমাণের দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
এখন দেখার বিষয়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এসব অভিযোগের বিষয়ে কী ব্যাখ্যা দেয় এবং পদায়নের লটারি সত্যিই নিরপেক্ষ ও ন্যায্য ছিল কি না, তা যাচাইয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাপনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান বিপ্লব জানান, মন্ত্রণালয়ের সরোয়ার আলমের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তাই এ বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর আমরা দিতে পারব না; এ বিষয়ে সরোয়ার আলমই উত্তর দিতে পারবেন।
তিনি আরো জানান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (CE) সংস্থাপন ফিরোজ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (XEN) সংস্থাপন মাজহারের কাছ থেকে উত্তর পাবেন। আমি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলাম না, কারণ আমি একটি ভাইভা বোর্ডে এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের টিইসি (TEC)-তে ব্যস্ত ছিলাম।
সারাক্ষণ ডেস্ক 

















