ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে, না:গঞ্জ বাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক খুলনায় জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে এএসআই সোহাগের প্রতিবাদ, হয়রানির দাবি পরিবারের যৌথ অভিযান: মানবপাচার মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩, দণ্ডিত ১০ খুলনায় দুদকের মামলা: সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ শ্যামনগরে বৃদ্ধ বাবাকে জমি লিখে দিতে চাপ ছেলে ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মারধর, গালিগালাজ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ লটারি ক্যাটাগরিতে, সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছাত্রলীগ নেতা অর্ণব বিশ্বাস ‎ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ২৭ অক্টোবর থেকে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা পার্বতীপুরে প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ১ বৌদ্ধদের প্রবারণা পূর্ণিমা: আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা ও সম্প্রীতির উৎসব  বেনাপোলে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন চোরাচালান মালামাল আটক

খুলনায় দুদকের মামলা: সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

খুলনায় দুদকের মামলা: সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

 

খুলনা প্রতিনিধি:

 

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস এম মাহাবুবুর রহমানের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫১ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর নামে মোট ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

 

এজাহার অনুযায়ী, ব্যাংকঋণসহ অন্যান্য দায় বাবদ ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪১ টাকা বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৫ টাকা।

 

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ২ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ৪১৩ টাকা। এর বিপরীতে পারিবারিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৫ টাকা।

 

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, গ্রহণযোগ্য আয় ও সঞ্চয়ের সঙ্গে সম্পদের হিসাবের অসংগতি পাওয়া গেছে ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সম্পদ বিবরণীতে ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৩ টাকার স্থাবর এবং ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৭ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গোপন করা সম্পদের মোট মূল্য ৪৯ লাখ ৮৩ হাজার ১২০ টাকা। এ অভিযোগে একই আইনের ২৬(২) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে, না:গঞ্জ বাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক

খুলনায় দুদকের মামলা: সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

খুলনায় দুদকের মামলা: সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

 

খুলনা প্রতিনিধি:

 

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস এম মাহাবুবুর রহমানের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫১ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর নামে মোট ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

 

এজাহার অনুযায়ী, ব্যাংকঋণসহ অন্যান্য দায় বাবদ ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪১ টাকা বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৫ টাকা।

 

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ২ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ৪১৩ টাকা। এর বিপরীতে পারিবারিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৫ টাকা।

 

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, গ্রহণযোগ্য আয় ও সঞ্চয়ের সঙ্গে সম্পদের হিসাবের অসংগতি পাওয়া গেছে ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সম্পদ বিবরণীতে ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৩ টাকার স্থাবর এবং ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৭ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গোপন করা সম্পদের মোট মূল্য ৪৯ লাখ ৮৩ হাজার ১২০ টাকা। এ অভিযোগে একই আইনের ২৬(২) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।