ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বাধীন সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরছে হামলা ও মিথ্যা মামলা: বিপন্ন গণমাধ্যম, আতঙ্কে সংবাদকর্মীরা খুলনায় মুদি দোকানিকে গুলি, পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিক লক্ষ্য করে গুলি, ভাঙচুর সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পদায়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়  ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সদরে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও খাল খনন পঞ্চগড়ে মামলার বেড়াজালে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী পুলিশ সুপারের কাছে গণঅভিযোগ এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ যুব ও কর্মসংস্থান সম্পাদক হলেন খুলনার ওয়াহিদুজ্জামান খুলনায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ মাটি খুঁড়ে মিলল ১০ হাজার ইয়াবা, বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা নেত্রকোনায় কালের কণ্ঠের সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পদায়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় 

সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পদায়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়

‎

‎ বিশেষ প্রতিনিধি : রাবেয়া খাতুন মুক্তা

‎

‎আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রীর অত্মীয় মাসুম বিল্লাহ নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ লটারীর ক্যাটাগরির মানদন্ডে পোষ্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন। ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ওয়ার্কিং ডিভিশন হিসাবে রয়েছে এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ করে থাকেন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জাদুঘর রয়েছে আর সেখানে পদায়ন পেলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও আমির হোসেন আমুর অত্মীয় মাসুম বিল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে এই বদলী করা হলো। মাসুম বিল্লাহ ৩৩তম বিসিএসের চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী ক্যাটাগরির মানদন্ডে মারপ্যাঁচে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এ তিন কোটি টাকা দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সংস্থাপন সরোয়ার জাহান বিপ্লব পদায়ন পাইয়ে দিয়েছেন অগ্রিম টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সরওয়ার জাহান বিপ্লব অফিস কক্ষের দৈনিক মানব কথার কাছে রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৩৩ তম বিসিএস ক্যাডারে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় চাকরি নিয়ে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর অত্নীয় পরিচয়ে চাকরি জীবনের প্রথম পোস্টিং বাগিয়ে নেন মাসুম বিল্লাহ নগর গণপূর্ত বিভাগে। মাসুম বিল্লাহ নগর গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী হওয়ার পর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি আলাউদ্দীনের চেরাগ পাওয়ার মত রাতারাতি কোটিপতি বনে যান।

‎

‎পরবর্তীতে ওই আ’লীগ নেতার আশীর্বাদে একের পর এক লোভনীয় পোষ্টিংসহ পেয়ে যান পদোন্নতি। ওই সময়ে রাজাপুরের কাঠিরপাড়া গ্রামে তাদের একটি ভাঙ্গা টিনের ঘর ছিল। কিন্তু গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী হওয়ার পরে হাতে পেয়ে যান আরব্যরজনীর আলাদ্দিনের চেরাগ। লীগের বদৌলতে আমুর আশীর্বাদে চাকরিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ওই চেরাগ ঘষে ঘষে চাকরির সল্প সময়ে হয়ে উঠেন কোটিপতি। স্টাফ অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী) থাকাকালে আ’লীগের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে করতেন মোটা অংকের নগদ কমিশন বাণিজ্য। এসডিই হিসাবে পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার, প্রকল্পে অনিয়ম ঘুষ দুর্নীতি করে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন তিনি।

‎

‎

‎অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ছাত্রলীগ ক্যাডার হিসাবে প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ বিশেষ বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের চাকরিতে ঢুকেন। ২০১৬ সালে তিনি নগর গণপূর্ত বিভাগের স্টাফ অফিসার। সেখানে টেন্ডার সম্পর্কিত যাবতীয় কাজগুলো দেখানা করতেন তিনি। সে সুবাদে গোপালগঞ্জের মাফিয়া ঠিকাদার ছত্রলীগের আরেক ক্যাডার দীন ইসলামের এস এ এন্টারপ্রাইজসহ আ’লীগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে তিনি নগদ ১% ক্ষেত্র বিশেষ ২% হিসাবে তিনটি অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি টাকা কমিশন বাণিজ্য করেছেন।

‎

‎

‎পরবর্তীতে আওয়ামী প্রভাব কাজে লাগিয়ে, অবৈধ অর্থের জোড়ে পদোন্নতি নিয়ে এসডিই হিসাবে মিরপুর উপবিভাগ-২ এর দায়িত্ব নিয়ে সেখানে পাইকপাড়া এপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে এ্যাডভান্স বিল প্রদানের পাশাপাশি বিবিধ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা লোপাট করেন ঊদ্ধতনদের যোগসাজশে। সেখানে প্রায় ৪ বছর থাকার পরে আমুর সুপারিশে ঢাকা থেকে ঢাকায় শের-ই-বাংলা নগর ৩নং উপবিভাগে পোষ্টিং বাগিয়ে নিয়ে পরোক্ষ ঠিকাদারীসহ ঘুষ বাণিজ্যে আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেন তিনি।

‎

‎

‎

‎২৮ মার্চ ২০২৪খ্রিঃ থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লবের পরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও অবৈধ অর্থের জোড়ে প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ স্ব-মহিমায় বহালতবিয়তে আছেন একই চেয়ারে। এ নিয়ে শোষিত বঞ্চিত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের মধ্যে বিরাজ করে চাঁপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা। এই ক্ষোভ ও উত্তেজনার সূত্র ধরে বঞ্চিত প্রতারিতদের রোষাণলে পড়ে এই পূর্ত কর্মকর্তা যে কোন সময়ে লাঞ্চিত বা রক্তাক্ত হলে এর দায়ভার বর্তমান গণপূর্ত প্রশাসনকে-ই নিতে হবে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৈষম্য বিরোধী প্রকৌশলী।

‎

‎

‎দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে তার বিরুদ্ধে ইতেপূর্বে জমা হয়েছে একাধিক অভিযোগ। সম্প্রতি দুদক তার ভূয়া মুক্তিযুদ্ধের সনদ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মাসুম বিল্লাহ, তার বড় ভাই শফিউল বসর ও তার স্ত্রী নাইমা আক্তার সুমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঠিরপাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিগত আ’লীগ আমলে এরা অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ আয় করেছেন। স্থানীয় আ’লীগের ইউনিয়ন উপজেলা ও সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অর্থ খরচ করতেন। তাদের বাসায় সব সময় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ মজুদ থাকতো। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর তাদের নগদ অর্থের সন্ধান পেয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে

‎

‎

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঠিরপাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিগত আ’লীগ আমলে এরা অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ আয় করেছেন। স্থানীয় আ’লীগের ইউনিয়ন উপজেলা ও সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অর্থ খরচ করতেন। তাদের বাসায় সব সময় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ মজুদ থাকতো। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর তাদের নগদ অর্থের সন্ধান পেয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন তাদের বাড়ি থেকে আনুমানিক ১৫-২০ কোটি টাকা ও কয়েকশো ভরি স্বর্ণ লুট হয়। কিন্তু থানার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ ও সফিউল বসর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করেছিলেন ১৩ ভরি সোনার গহনা, নগদ ৭লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন। কারণ এতো বিশাল পরিমান অর্থ ও স্বর্ণের বৈধ হিসাব তাদের কাছে ছিল না। অবৈধ অর্থ সম্পদ নিয়ে ধরা পড়ার ভয়ে তারা মিথ্যার আশ্রয় নেন। আরো বেশ কয়েকজন বলেন, ৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতন হলে অনেক আ’লীগ নেতারা পালিয়ে যাওয়ার আগে তাদের বাড়িতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ রেখে গিয়েছিলেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আসলেও অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তা অদৃশ্য করে দিতেন। আ’লীগ নেতারা পালিয়ে যাওয়ার আগে তাদের বাড়িতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ রেখে গিয়েছিল

 

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ বলেন আমার পদায়নের বিষয়টা এনএসআই ও ডিজিএফআই জানেন।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীন সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরছে হামলা ও মিথ্যা মামলা: বিপন্ন গণমাধ্যম, আতঙ্কে সংবাদকর্মীরা

সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পদায়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় 

আপডেট সময় : ১০:৩৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পদায়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়

‎

‎ বিশেষ প্রতিনিধি : রাবেয়া খাতুন মুক্তা

‎

‎আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রীর অত্মীয় মাসুম বিল্লাহ নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ লটারীর ক্যাটাগরির মানদন্ডে পোষ্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন। ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ওয়ার্কিং ডিভিশন হিসাবে রয়েছে এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ করে থাকেন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জাদুঘর রয়েছে আর সেখানে পদায়ন পেলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও আমির হোসেন আমুর অত্মীয় মাসুম বিল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে এই বদলী করা হলো। মাসুম বিল্লাহ ৩৩তম বিসিএসের চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী ক্যাটাগরির মানদন্ডে মারপ্যাঁচে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২ এ তিন কোটি টাকা দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সংস্থাপন সরোয়ার জাহান বিপ্লব পদায়ন পাইয়ে দিয়েছেন অগ্রিম টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সরওয়ার জাহান বিপ্লব অফিস কক্ষের দৈনিক মানব কথার কাছে রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৩৩ তম বিসিএস ক্যাডারে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় চাকরি নিয়ে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর অত্নীয় পরিচয়ে চাকরি জীবনের প্রথম পোস্টিং বাগিয়ে নেন মাসুম বিল্লাহ নগর গণপূর্ত বিভাগে। মাসুম বিল্লাহ নগর গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী হওয়ার পর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি আলাউদ্দীনের চেরাগ পাওয়ার মত রাতারাতি কোটিপতি বনে যান।

‎

‎পরবর্তীতে ওই আ’লীগ নেতার আশীর্বাদে একের পর এক লোভনীয় পোষ্টিংসহ পেয়ে যান পদোন্নতি। ওই সময়ে রাজাপুরের কাঠিরপাড়া গ্রামে তাদের একটি ভাঙ্গা টিনের ঘর ছিল। কিন্তু গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী হওয়ার পরে হাতে পেয়ে যান আরব্যরজনীর আলাদ্দিনের চেরাগ। লীগের বদৌলতে আমুর আশীর্বাদে চাকরিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ওই চেরাগ ঘষে ঘষে চাকরির সল্প সময়ে হয়ে উঠেন কোটিপতি। স্টাফ অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী) থাকাকালে আ’লীগের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে করতেন মোটা অংকের নগদ কমিশন বাণিজ্য। এসডিই হিসাবে পদোন্নতি নিয়ে বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার, প্রকল্পে অনিয়ম ঘুষ দুর্নীতি করে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন তিনি।

‎

‎

‎অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ছাত্রলীগ ক্যাডার হিসাবে প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ বিশেষ বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের চাকরিতে ঢুকেন। ২০১৬ সালে তিনি নগর গণপূর্ত বিভাগের স্টাফ অফিসার। সেখানে টেন্ডার সম্পর্কিত যাবতীয় কাজগুলো দেখানা করতেন তিনি। সে সুবাদে গোপালগঞ্জের মাফিয়া ঠিকাদার ছত্রলীগের আরেক ক্যাডার দীন ইসলামের এস এ এন্টারপ্রাইজসহ আ’লীগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে তিনি নগদ ১% ক্ষেত্র বিশেষ ২% হিসাবে তিনটি অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি টাকা কমিশন বাণিজ্য করেছেন।

‎

‎

‎পরবর্তীতে আওয়ামী প্রভাব কাজে লাগিয়ে, অবৈধ অর্থের জোড়ে পদোন্নতি নিয়ে এসডিই হিসাবে মিরপুর উপবিভাগ-২ এর দায়িত্ব নিয়ে সেখানে পাইকপাড়া এপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে এ্যাডভান্স বিল প্রদানের পাশাপাশি বিবিধ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা লোপাট করেন ঊদ্ধতনদের যোগসাজশে। সেখানে প্রায় ৪ বছর থাকার পরে আমুর সুপারিশে ঢাকা থেকে ঢাকায় শের-ই-বাংলা নগর ৩নং উপবিভাগে পোষ্টিং বাগিয়ে নিয়ে পরোক্ষ ঠিকাদারীসহ ঘুষ বাণিজ্যে আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেন তিনি।

‎

‎

‎

‎২৮ মার্চ ২০২৪খ্রিঃ থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লবের পরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও অবৈধ অর্থের জোড়ে প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ স্ব-মহিমায় বহালতবিয়তে আছেন একই চেয়ারে। এ নিয়ে শোষিত বঞ্চিত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের মধ্যে বিরাজ করে চাঁপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা। এই ক্ষোভ ও উত্তেজনার সূত্র ধরে বঞ্চিত প্রতারিতদের রোষাণলে পড়ে এই পূর্ত কর্মকর্তা যে কোন সময়ে লাঞ্চিত বা রক্তাক্ত হলে এর দায়ভার বর্তমান গণপূর্ত প্রশাসনকে-ই নিতে হবে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৈষম্য বিরোধী প্রকৌশলী।

‎

‎

‎দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে তার বিরুদ্ধে ইতেপূর্বে জমা হয়েছে একাধিক অভিযোগ। সম্প্রতি দুদক তার ভূয়া মুক্তিযুদ্ধের সনদ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মাসুম বিল্লাহ, তার বড় ভাই শফিউল বসর ও তার স্ত্রী নাইমা আক্তার সুমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঠিরপাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিগত আ’লীগ আমলে এরা অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ আয় করেছেন। স্থানীয় আ’লীগের ইউনিয়ন উপজেলা ও সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অর্থ খরচ করতেন। তাদের বাসায় সব সময় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ মজুদ থাকতো। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর তাদের নগদ অর্থের সন্ধান পেয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে

‎

‎

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাঠিরপাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিগত আ’লীগ আমলে এরা অবৈধভাবে প্রচুর অর্থ আয় করেছেন। স্থানীয় আ’লীগের ইউনিয়ন উপজেলা ও সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অর্থ খরচ করতেন। তাদের বাসায় সব সময় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ মজুদ থাকতো। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর তাদের নগদ অর্থের সন্ধান পেয়ে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন তাদের বাড়ি থেকে আনুমানিক ১৫-২০ কোটি টাকা ও কয়েকশো ভরি স্বর্ণ লুট হয়। কিন্তু থানার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ ও সফিউল বসর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করেছিলেন ১৩ ভরি সোনার গহনা, নগদ ৭লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন। কারণ এতো বিশাল পরিমান অর্থ ও স্বর্ণের বৈধ হিসাব তাদের কাছে ছিল না। অবৈধ অর্থ সম্পদ নিয়ে ধরা পড়ার ভয়ে তারা মিথ্যার আশ্রয় নেন। আরো বেশ কয়েকজন বলেন, ৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতন হলে অনেক আ’লীগ নেতারা পালিয়ে যাওয়ার আগে তাদের বাড়িতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ রেখে গিয়েছিলেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আসলেও অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তা অদৃশ্য করে দিতেন। আ’লীগ নেতারা পালিয়ে যাওয়ার আগে তাদের বাড়িতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ রেখে গিয়েছিল

 

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ বলেন আমার পদায়নের বিষয়টা এনএসআই ও ডিজিএফআই জানেন।