ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
শারদীয় দুর্গোৎসব: শাস্ত্রীয় দর্শন, মানবতার অঙ্গীকার ও সমকালীন সমাজের আত্মজিজ্ঞাসা। রিয়াদে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ফোরাম: তিন পক্ষের সাথে প্রতিমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আধুনিক ও উন্নত রেল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: রেলমন্ত্রী মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: চার ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পরিবারের কোলে ফিরল চার বছরের আবদুল্লাহ অসুস্থতায় অসহায় রনি, অপারেশন সম্ভব নয়—সাহায্যের আবেদন দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে পূজামণ্ডপভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের আহ্বান বিএনপির। ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির ভোটও দাঁড়িপাল্লায় পড়বে: রাশেদ প্রধান নেত্রকোনায় মাদক সেবনের অভিযোগে পৌর ছাত্রদল সম্পাদকসহ ৪ জন আটক, আদালতে প্রেরণ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার “কোবরা গ্রুপ/ সোহেল গ্রুপ” এর প্রধান শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক সম্রাট ১৫ মামলার আসামী সোহেল খন্দকার’কে বিদেশি রিভলবার, গুলি ও হেরোইনসহ গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১১” কুমার নদের বুকে বৈতরণীর বিজয়কেতন!

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া ‎

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া

‎

‎

‎

‎নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকায় মহিলা মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশে দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হলো।

‎

‎মারা যাওয়া লামিয়া (১৩) গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।

‎

‎জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী চিকিৎসার জন্য তাঁদের ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

‎

‎এর আগে ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ১১ বছর বয়সী আতিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎পরে গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎অন্যদিকে একই ঘটনায় দগ্ধ আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়া এই দুই ছাত্রীকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

‎

‎গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মাদ্রাসার পাঁচ আবাসিক ছাত্রী ছাদে খেলাধুলা করছিল।

‎

‎জানা যায়, ছাত্রীদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিল। খেলার একপর্যায়ে আখটি ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ তৈরি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়।

‎

‎পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের কয়েকজনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গোৎসব: শাস্ত্রীয় দর্শন, মানবতার অঙ্গীকার ও সমকালীন সমাজের আত্মজিজ্ঞাসা।

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া ‎

আপডেট সময় : ১০:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া

‎

‎

‎

‎নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকায় মহিলা মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশে দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হলো।

‎

‎মারা যাওয়া লামিয়া (১৩) গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।

‎

‎জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী চিকিৎসার জন্য তাঁদের ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

‎

‎এর আগে ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ১১ বছর বয়সী আতিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎পরে গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎অন্যদিকে একই ঘটনায় দগ্ধ আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়া এই দুই ছাত্রীকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

‎

‎গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মাদ্রাসার পাঁচ আবাসিক ছাত্রী ছাদে খেলাধুলা করছিল।

‎

‎জানা যায়, ছাত্রীদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিল। খেলার একপর্যায়ে আখটি ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ তৈরি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়।

‎

‎পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের কয়েকজনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।