ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
খুলনায় জাতীয় পার্টির উদ্যোগে উপজেলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা খিলগাঁওয়ে বাসা ভাড়ার নামে ডেকে এনে শিক্ষক ও বিজ্ঞানী সরোয়ারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা, থানায় মামলা খুলনায় গৃহবধূ খুশিকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে বিক্রির বিজ্ঞাপন, এসআরবির অভিযানে যুবক আটক শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ ঢাকা জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬, সহযোগিতার জন্য পুলিশ সুপারের কৃতজ্ঞতা গফরগাঁওয়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শাশুড়ির দিকে সন্দেহের তীর গোপালগঞ্জে রঘুনাথপুর সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ, ধুলায় দুর্ভোগে পথচারীরা প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি, জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে কেসিসি প্রশাসক টেকনাফের হ্নীলা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, সাবেক সেনা সদস্যসহ আটক ৬

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া ‎

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া

‎

‎

‎

‎নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকায় মহিলা মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশে দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হলো।

‎

‎মারা যাওয়া লামিয়া (১৩) গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।

‎

‎জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী চিকিৎসার জন্য তাঁদের ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

‎

‎এর আগে ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ১১ বছর বয়সী আতিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎পরে গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎অন্যদিকে একই ঘটনায় দগ্ধ আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়া এই দুই ছাত্রীকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

‎

‎গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মাদ্রাসার পাঁচ আবাসিক ছাত্রী ছাদে খেলাধুলা করছিল।

‎

‎জানা যায়, ছাত্রীদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিল। খেলার একপর্যায়ে আখটি ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ তৈরি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়।

‎

‎পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের কয়েকজনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় জাতীয় পার্টির উদ্যোগে উপজেলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া ‎

আপডেট সময় : ১০:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কাশীপুর মাদ্রাসায় দ’গ্ধ জিদনি-আতিয়ার পর মা’রা গেল লামিয়া

‎

‎

‎

‎নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকায় মহিলা মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশে দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হলো।

‎

‎মারা যাওয়া লামিয়া (১৩) গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।

‎

‎জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী চিকিৎসার জন্য তাঁদের ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

‎

‎এর আগে ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ১১ বছর বয়সী আতিয়া। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎পরে গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

‎

‎অন্যদিকে একই ঘটনায় দগ্ধ আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়া এই দুই ছাত্রীকে আইসিইউ থেকে হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

‎

‎গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মাদ্রাসার পাঁচ আবাসিক ছাত্রী ছাদে খেলাধুলা করছিল।

‎

‎জানা যায়, ছাত্রীদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিল। খেলার একপর্যায়ে আখটি ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ তৈরি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়।

‎

‎পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর অবস্থায় তাদের কয়েকজনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।